
কল্যাণরাষ্ট্র পরিষদ বাংলাদেশের উদ্যোগে
বিশিষ্ঠ ইসলামিক স্কলার, লেখক ও গবেষক মাওলানা আইনুল হক কাসেমীসহ জুলাইযোদ্ধা ও আগ্রাসনবিরোধী ছাত্রজনতার বিরুদ্ধে করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং গ্রেফতারকৃতদের মুক্তির দাবিতে আজ বিকেল চার ঘটিকায় প্রেসক্লাবের সামনে এক মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশে অনুষ্ঠিত হয় ।
পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশের কার্যক্রম শুরু হয়।
এতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মুফতি ছাকিবুল ইসলাম কাসেমী ।
মানববন্ধনে বক্তব্য প্রদান করেন বৈষম্যবিরোধী কওমি ছাত্র আন্দোলনের সদস্য সচিব – মাকছুদুর রহমান জুনাইদ ,
কল্যাণরাষ্ট্র পরিষদ বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক – এম এম গাজী ইউছুফ, কল্যাণ রাষ্ট্র ছাত্র ও যুব পরিষদের কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা আনওয়ার হোসাইন এবং বিভিন্ন জেলা প্রতিনিধি ও কেন্দ্রীয় দায়িত্বশীলবৃন্দ ৷
মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা দাবি করেন, প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার-এ প্রকাশিত ঘটনাটি একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা , বরং দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির উদ্দেশ্যে পলাতক ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের লোকজনই এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত।
তারা আরও বলেন, এর পরিপ্রেক্ষিতে অন্তর্বর্তী সরকার যেভাবে গ্রেফতার অভিযান চালাচ্ছে, তা মোটেও কাম্য নয়।
রাতের আঁধারে হাদিসের দরস থেকে মাওলানা আইনুল হক কাসেমী কে গুম করার ঘটনায় আবারও প্রমাণ হয় এই দেশে ফ্যাসিবাদী সংস্কৃতি এখনো বিদ্যমান।
বক্তাগণ অবিলম্বে ও নিঃশর্তভাবে তাদের মুক্তির দাবি জানান।
কল্যানরাষ্ট্র পরিষদ বাংলাদেশ এর কেন্দ্রীয় সভাপতি – মুফতি সাকিবুল ইসলাম কাসেমী তার বক্তব্যে বলেন প্রথম আলো ও ডেইলি ষ্টারের সাথে যে ঘটনা ঘটেছে তা আমরা কখনো সমর্থন করি না । এবং ইসলাম ও এটা সমর্থন করে না ।
এবং তার পরিপ্রেক্ষিতে বিশিষ্ঠ ইসলামিক স্কলার, লেখক ও গবেষক মাওলানা আইনুল হক কাসেমী সহ জুলাইযোদ্ধা ও আগ্রাসনবিরোধী ছাত্রজনতার বিরুদ্ধে করা মিথ্যা মামলা গ্রেফতার করায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই এবং অতি দ্রুত সকল মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করে গ্রেফতারকৃতদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানান ।
এছাড়াও তার বক্তব্যে সম্প্রতি শহীদ শরিফ উসমান হাদির ওপর হত্যা ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান এবং অবিলম্বে দোষীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। তিনি আরো বলেন, যে জুলাই বিপ্লবীদের রক্তের সিঁড়ি বেয়ে বর্তমান শাসকগোষ্ঠী ক্ষমতায় এসেছে, সেই বিপ্লবীদের ওপর হামলার বিচার নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হলে তা সরকারের চরম ব্যর্থতার প্রমাণ হবে। তিন দিনের মধ্যে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে না পারলে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগ করা উচিত। ব্যর্থ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে আমরা আর দেখতে চাই না।
যদি অনতি বিলম্বে তাদেরকে মুক্তি না দেওয়া হয় , তাহলে কঠিন কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবো । এবং আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে শহীদ শরিফ ওসমান হাদির হত্যার সাথে সম্পৃক্ত সকল আসামিকে গ্রেফতার করে বিচার নিশ্চিত করতে হবে ।

